বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঘোষণা :

পটুয়খালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে শত অভিযোগে আলোচিত ৪র্থ শ্রেনী কর্মচারী জাফর ।

পটুয়াখালী প্রতিনিধি ::- পটুয়খালী সদর হাসপাতালের একজন চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী নামে মাত্র কিন্তু পেশায় ও নেশায় পরিণিত হয়ে আসছে চুরি,যৌন হয়রানী,ক্যাস্টের পরানো নিয়ে অবৈধ লেনদেনসহ দূর্নীতির আশ্রয় নিয়ে একাধিক অপর্কম জেন থামছেই না প্রচলিত এ শব্দগুলো । গত শনিবার রাত আনুমানিক তিন ঘটিকার সময় মাদারবুনিয়া নিবাসি মো: ইয়ানুর আকনের স্ত্রীকে হাসপাতালের গাইনী বিভাগের টয়লেটের সামনে একা পেয়ে ছিনতাই ও লাঞ্ছিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন হাসপাতালে এক চিকিৎসারত প্রসূতি মা।

সরোজমিনে খোজঁনিয়ে জানা যায়,পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের ৪র্থ শ্রেনী কর্মচারি নিজেদের অভ্যান্তরীণ রেশারেশির জন্য প্রতিপক্ষ্যকে নাজেহাল করার লক্ষ্যে জাফর র্কতৃক মিথ্যা তথ্য দিয়ে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে একই হাসপাতালে কর্মচারী খাদিজা নামক ব্যাক্তিকে ফাসাঁতে হাসপাতাল র্কতৃপক্ষকে অভিযোগ করেন প্রতারক জাফর।

বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন হলে জাফর র্কতৃক সাজানো অভিযোগের ব্যাপারে মুখ খোলেন প্রসূতি এতে প্রতারক জাফর ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২৮/৮/২০২১ ইং তারিখ রাত আনুমানিক তিন ঘটিকাকার সময় হাসপাতালের গাইনী বিভাগের টয়লেটর সামনে প্রাকৃতিক কর্ম সাধনের জন্য গেলে প্রতারক জাফর হাসপাতালে চিকিৎসারত প্রসূতি ১১ দিনের শিশুর মা আসমা বেগমকে অতর্কিত হামলা করে এতে প্রসূতির শরিলের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতর সৃষ্টি হয় এসময় প্রসূতীর মায়ের গলায় ও কানের র্স্বণ হাতিয়ে নিয়ে প্রানে মেরে ফেলার হুমকি দেয় এবং তার করা প্রতারিত মিথ্যা স্বাক্ষর র্কতৃক হাসপাতালে র্কমচারী খাদিজার ব্যাপারে কোন প্রকার লিখিত অভিযোগের বাহিরে কথা বলতে বারণ করে স্বাসিয়ে চলে জান ।

এ সময় প্রসুতী আসমার ডাকচিৎকারে একই ওর্য়াডের চিকিৎসারত অন্য রোগিদের সাথে থাকা স্বজনরা ছুটে আসলে প্রতারক জাফর ও তার সাথে থাকা আরেক সহযোগী দ্রুত পালিয়ে যায় বলে জানান উপস্থিত রোগিদের স্বজন ও রোগিরা। সার্বিক বিষয়ে পরের দিন পটুয়াখালী থানায় প্রসূতির স্বজনের দ্বারা থানায় অবগত করলে বিষয়টি জানাজানি হলে দ্রুত হাসপাতাল ত্যাগ করেন প্রতারক জাফর ।

এ বিষয়ে হাসপাতালের ঐ সময় অবস্থানরত হিসাব রক্ষক কর্মকর্তা মো: হাসান প্রতিবেদককে জানান ,প্রসূতি আসমা বেগমের আনিত অভিযোগ মিথ্যা জাফরের সদ্য পদউন্নতির জন্যই তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করানো হয়েছে এসময় জাফর র্কতৃক মিথ্যা স্বাক্ষর কৃত অভিযোগের বিষয়ের সত্যতা নিস্চিত করেন ।

প্রসূতি নির্যতন ও র্স্বণ অলংকার হাতিয়ে নেয়ার বিষয়ে হাসপাতালের দেখ ভালোর নিয়োজিত কর্মকর্তা তত্তাবধায়ক ডা: মোহাম্মদ আবদুল মতিন জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি তবে লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান ।

র্পূবে আনিত অভিযোগের বিষয় বলেন জাফরের বিরুদ্ধে আমি যোগদানের আগকালে ততকালীন কর্মকর্তারা কোন প্রকার ফলাফল কেন দেন নি তা আমার বোধগম্য নয়।উলেক্ষ্য পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ৪র্থ শ্রেনী কর্মচারি জাফরকে নিয়ে এর আগেও বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় পত্র পত্রিকায় নানান ধরনের অভিযোগ নিয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশ করে গনমাধ্যম তাতেও কোন প্রকার বিচার বা স্বাস্তি ব্যবস্থা গ্রহন করেননি হাসপাতাল র্কতৃপক্ষ্য ।

প্রতিবারে জাফর র্কতৃক অপর্কমগুলো এড়িয়ে গেছেন হাসপাতাল র্কতৃপক্ষ্য । এতশত অভিযোগের পরও বহাল তবিয়াতে কাজের নামে প্রতারণা ও অপর্কম করে যাচ্ছে জাফর ।এর আগেও বিভিন্ন অপর্কমরে সংবাদ প্রকাশে কোন প্রকার ব্যবস্থা নেয়নি হাসপাতাল র্কতৃপক্ষ্য, সাধারণ মানুষ ও হাসপাতালের র্কমরত র্কমচারী এবং আশেপাশের স্থানীয়রা দাবি করেন ৪র্থ শ্রেনী কর্মচারি জাফর দ্বারা হাসপাতালের উপরস্থ্য র্কমকর্তারা অবৈধ সুযোগ গ্রহন করার কারণে তার বিরুদ্ধে কোন প্রকার আইনি ব্যাবস্থা গ্রহন করতে পারছেন না হাসপাতাল দেখভালোর জন্য নিয়োজিত কর্মকর্তারা।

 

জাফরের আরও বিস্তারিত নিয়ে আসছি সাথে থাকুন ।



All Bangla Newspaper
ফেসবুকে আমরা

error: Content is protected !!