বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঘোষণা :

ব্রাহ্মণবাড়িয়া তিনলাখপীর জিপি নামে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি,শেষ কোথায় ।

মোঃ কবির হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি::- ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা থানা তিনলাখপীর সিএনজি স্টেশনে জিপি নামে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি। তিনলাখপীর হইতে বিটঘর পর্যন্ত বহুল জনসাধারণের চলাচলের একমাত্র যোগাযোগ রাস্তা।
কসবা নবীনগর থানার অধিকাংশ সিএনজি অটোরিকশা ড্রাইভার দের কাছ থেকে জোরপূর্বক বল প্রয়োগ করে প্রকাশ্যে দিবালোকে চাঁদা আদায় করে।
 সরোজমিনে গেলে  একাধিক  সিএনজি অটোরিক্সার ড্রাইভার ও যাত্রী অভিযোগ করেন, তিনলাখপীর সিএনজি স্টেশনে এলাকার কতিপয় দাপটদার লোক প্রকাশ্যে প্রতি গাড়ি ১০ টাকা হারে জিপি নামে চাঁদা আদায় করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে সি এন জি ও অটো রিক্সার ড্রাইভার দের কে হুমকি-ধামকি প্রদান করে এবংযাত্রী গাড়ি থেকে নামিয়ে ফেলে।
জিপি নামক চাঁদা আদায় কারী হিসাবে সরজমিনে পাওয়া য়ায় মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন দেলুকে। দেলু তিনলাখপীর ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো: হেফজুল কবির হেবজু ও সাধারণ সম্পাদক স্বপন মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, উক্ত রাস্তার কমিটির বর্তমানে কোন বৈধতা নেই। বৈধ কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। অদ্য পর্যন্ত জেলা-কমিটি তিনলাখপীর হইতে বিটঘর পর্যন্ত জেলা কমিটি কোন ব্যক্তিকে কমিটির প্রধান করা হয়নি এবং জিপি নেওয়ার ব্যাপারে আমরা নির্দেশও দেইনি এবং অবগত নয়।
চাঁদা আদায়ের নামে জনদূর্ভোগ বিষয়ে দেলোয়ার হোসেন  দেলুকে  জিপি নেয়ার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সংবাদর্মীদের সাথে দুর্ব্যবহার করে।
গত কমিটি সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা কে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, তিনলাখপীর সিএনজি স্টেশনে নিরহ সিএনজি অটোরিক্সা ড্রাইভার দের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে তার কারনেই আমি নিজে বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজ্ঞ আদালতে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেছি।
উক্ত  মামলাটি বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তিনি আরো বলেন, তিনলাখপীর হইতে বিটঘর পর্যন্ত উক্ত রাস্তার বৈধ কমিটির আমি সাধারণ সম্পাদক হওয়া সত্বেও আমার কমিটির সদস্যরা তিনলাখপীর সিএনজি স্টেশনে এসে কোন কর্ম সম্পাদন করতে পারে না দেলোয়ার হোসেন  দেলুর দাপটশীল লোকদের কারণে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু স্থানীয় সুশীল সাধারণ এবং অটোরিক্সা ড্রাইভার বলেন, দেলুর সাঙ্গো পাঙ্গদের ভয় কেউ সাহস করে মুখ খুলতে পারে না। এলাকার মধ্যে দেলুর সাঙ্গ-পাঙ্গরা দাপটের রাজত্ব কায়েম করে। কেউ মুখ খুললে তাদের উপর দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করে।
এ বিষয়ে সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীরা সরকার ও প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করছেন যে  জিপি নামে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি বন্ধ  ও তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে শান্তি ফিরিয়ে আনার দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন ।



All Bangla Newspaper
ফেসবুকে আমরা

error: Content is protected !!