শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২২, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঘোষণা :

৮ ডিসেম্বর ১৯৭১: শত্রুমুক্ত হয় পটুয়াখালী

কুমিল্লা বিমানবন্দরে আশ্রয় নেওয়া পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে বীর মুক্তিযোদ্ধারা কুমিল্লাকে মুক্ত করে ভোর রাতে। মুক্তির স্বাদ পাওয়া হাজার হাজার মানুষের জয় বাংলা ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়ে উঠে পুরো কুমিল্লা।

একইদিন চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমাতেও হানাদার বাহিনী পরাজিত হয়।

পলায়ন প্রক্রিয়া নিরাপদ করতে পটুয়াখালীতে পাকিস্তানি বাহিনী ৭ ডিসেম্বর কারফিউ জারি করে। ৮ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী পালিয়ে গেলে পটুয়াখালী শত্রুমুক্ত হয়। একইভাবে মুক্ত হয় মৌলভীবাজার, ঝালকাঠি ও পিরোজপুরও।

যৌথ বাহিনী হাজীগঞ্জ দিয়ে ৬ ডিসেম্বর চাঁদপুর আসতে থাকলে মুক্তিসেনা কর্তৃক হানাদার বাহিনী প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়। ভারতের মাউন্টেন ব্রিগেডও ইস্টার্ন সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধাদের যৌথ আক্রমন চালায়। দিশা না পেয়ে পাকিস্তান ৩৯ অস্থায়ী ডিভিশনের কমান্ডিং অফিসার মেজর জেনারেল রহিম খান চাঁদপুর থেকে পালিয়ে যান। ৩৬ ঘণ্টা তীব্র লড়াইয়ের পর ৮ ডিসেম্বর জেলার হাজীগঞ্জ এবং বিনা প্রতিরোধেই চাঁদপুর শহর মুক্ত হয়।

৭ ডিসেম্বর গভীর রাতে হঠাৎ করে বরিশালে কারফিউ ঘোষণায় মানুষ আতংকগ্রস্থ হয়ে পড়ে। কারফিউ ঘোষণা হলেও সেনাটহল ছিল না। ৮ ডিসেম্বর ভোররাতের মধ্যে পাকিস্তানিরা বরিশাল ত্যাগ করে। মূলত জলপথেও পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসররা নিজেদের রক্ষা করতে পারেনি। ভারতীয় বিমান বাহিনীর হামলায় মুলাদীর কদমতলা নদীতে লঞ্চ, চাঁদপুরের মেঘনা মোহনায় কিউ জাহাজসহ গানবোট ও কার্গো ধ্বংস হয়েছিল।

৮ ডিসেম্বর প্রথমে সুলতান মাস্টার মুক্ত বরিশাল শহরে প্রবেশ করে কোতয়ালী থানা দখল করেন। এভাবে একে একে বরিশাল শহরের বিভিন্ন স্থাপনা দখলে নেয় মুক্তিযোদ্ধারা। এর পর উড়ানো হয় স্বাধীন বাংলার পতাকা।



All Bangla Newspaper
ফেসবুকে আমরা
error: Content is protected !!