শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২২, ১২:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঘোষণা :

সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায় ১ কিমি যানজট, ভোগান্তিতে পর্যটকরা

বিজয় দিবস ও সরকারি ছুটিসহ টানা তিনদিনের ছুটিতে রেকর্ডসংখ্যক পর্যটক এসেছেন কুয়াকাটায়। পর্যটকদের বহনকারী বাস, মাইক্রো, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনে লম্বা যানজট সৃষ্টি হয়েছে। কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে মহাসড়কের এক কিলোমিটার অংশজুড়ে রয়েছে যানজট।

শুক্রবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত লম্বা এ যানজটে ভোগান্তির শিকার হন শত শত পর্যটক। শুধু পর্যটকই নয়, স্থানীয় ব্যবসায়ী, ভ্যানচালকরাও ছিলেন বিপাকে। তবে যানজট নিরসনে তৎপর দেখা যায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের।

দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর ধরে কুয়াকাটা-আলীপুর মহাসড়কে ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন রুবেল মিয়া (২৫)। তিনি জাগো নিউজকে জানান, সন্ধ্যায় কুয়াকাটা-আলীপুর মহাসড়কে তিনজন পর্যটক নিয়ে পর্যটন হলিডে হোমসের সামনে দীর্ঘ এক কিলোমিটার যানযটে পড়েন তিনি। একপর্যায়ে পর্যটকরা বিরক্ত হয়ে হেঁটেই চলে যেতে চান। তবে তিনি আশ্বস্ত করেছিলেন পাঁচ মিনিটের মধ্যেই রাস্তা স্বাভাবিক হবে। কিন্তু এক ঘণ্টায়ও রাস্তা স্বাভাবিক না হওয়ায় পর্যটকের অনেক গালমন্দ শুনতে হয়েছে তাকে।

শুধু রুবেল মিয়াই নয়, ওই সড়কে এভাবে অর্ধশতাধিক বাস, মোটরসাইকেল ও ভ্যান ঘণ্টাব্যাপী দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পর্যটকদের চোখেমুখে ফুটে ওঠে বিরক্তির ছাপ।

ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের (টোয়াক) সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আনু জানান, কুয়াকাটায় স্থায়ী কোনো বাস টার্মিনাল না থাকায় গাড়িগুলো সড়কের পাশেই রাখা হয়। এছাড়া এখানে কোনো ট্রাফিক পুলিশ নেই। যে কারণে প্রতি বৃহস্পতিবার, শুক্রবার এবং শনিবার সড়কে যানজট লেগে থাকে। এতে পর্যটকদের ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের পরিদর্শক এম মিজানুর রহমান বলেন, গতকাল প্রায় একঘণ্টা প্রচেষ্টার পর যানজট নিরসন করা হয়। আজও ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা যানজট নিরসনে কাজ করছেন।

কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র আনোয়ার হাওলাদার বলেন, তুলতলীতে ছয় একর জমির ওপর বাস টার্মিনাল নির্মাণের কাজ চলছে। আশা করছি এ মাসের মধ্যে বালু ভরাটের কাজ শেষ হবে। জানুয়ারি মাস থেকে ওখানে বাস রাখা যাবে।



All Bangla Newspaper
ফেসবুকে আমরা
error: Content is protected !!