শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২২, ১১:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঘোষণা :

হঠাৎ হাসপাতালে মাশরাফী, ১০ চিকিৎসক ও ৩ কর্মচারীকে শোকজ

স্থানীয়দের নানা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরেজমিন খোঁজখবর নিতে আগে ভাগে কাউকে কিছু না জানিয়ে বেশ সকালে হাসপাতালে যান নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা।

শনিবার (১৮ ডিসেম্বর) নড়াইল সদর হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শন করে সেখানে কিছু অনিয়ম দেখতে পান। এসময় ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ককে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর ১০ চিকিৎসক ও ৩ কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা জানান, সদর হাসপাতালের নানা অনিয়মের বিষয়ে বেশ কিছুদিন ধরে প্রাপ্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তিনি সদর হাসপাতালে ঢুকে বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের ওয়ার্ডে যান। সেখানে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনরা চিকিৎসা সেবা প্রদানে গাফিলতি, ওষুধপত্র ঠিকমতো না পাওয়াসহ কর্তৃপক্ষের নানা অনিয়মের বিষয়ে মাশরাফীর কাছে তুলে ধরেন।

এসময় আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আর এম ও) ডা. আ ফ ম মুশিউর রহমান বাবুর হাসপাতালে অনুপস্থিতির খোঁজ নিতে গিয়ে দেখা যায় তিনি অনুমোদনহীনভাবে খেয়ালখুশি ছুটি ভোগ করছেন।

প্রশাসনিক নানা ব্যবস্থাপনা খোঁজ নিতে গিয়ে বিভিন্ন সময় অনুমোদনের তোয়াক্কা না করে একাধিক চিকিৎসকের অবৈধভাবে ছুটি ভোগের বিষয়টি নজরে আসে। এছাড়া ১৭ ডিসেম্বর রাতে শিশু ওয়ার্ডে ২১ জন ভর্তি রোগীর বিপরীতে মাত্র ৩ জনকে খাবার পরিবেশনের অভিযোগ পেয়ে এ ব্যাপারে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মুন্সি আসাদ উজ-জামানের কাছে জানতে চান মাশরাফী।

তত্ত্বাবধায়ক এমন অনিয়ম দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করলে বিষয়টি তদন্তে এমপি মাশরাফী তত্ত্বাবধায়ককে নিয়ে সরেজমিন শিশু ওয়ার্ডে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পান। এসব অনিয়মের বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মাশরাফী বিকেলের মধ্যে এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়ে তাকে জানাতে তত্ত্বাবধায়ককে নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক ডা. মুন্সি আসাদ উজ-জামান বলেন, ১০ চিকিৎসক ও ২ জন ল্যাক টেকনিশিয়ান ও ১ জন কুক মশালচিকে তাদের অনিয়মের বিষয়ে কারণ দর্শাতে লিখিত আদেশ দেওয়া হয়েছে।



All Bangla Newspaper
ফেসবুকে আমরা
error: Content is protected !!