শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২২, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঘোষণা :

পটুয়াখালী যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত ।

নানান সাজে সজ্জিত হয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর পর পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।প্রথম অধিবেশন বেলা ১১টায় কাজী আবুল কাশেম স্টেডিয়াম মাঠে বেলুন ফেস্টুন,জাতীয় পতাকা ও শান্তি প্রতিক পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনে উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ।

সম্মেলনে জেলা যুবলীগের আহবায়ক এড. আরিফুজ্জামান রনি‘র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যুগ্ম আহবায়ক এড. মো. শহিদুল ইসলাম শহিদ। জেলা আওয়ামী যুবলীগের ত্রি- বার্ষিক সম্মেলন, প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, পটুয়াখালীর এই সম্মেলনের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সংগঠনিক অধ্যায়ের সূচনা রচিত হচ্ছে। ২০১৯ সালে শুদ্ধি অভিজানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ যুবলীগের কমিটি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি নেতা কর্মীদের আস্বস্ত করেন, দলে ভূইফোর নেতাদের কোন স্থান হবেনা। পদ প্রত্যাশিদের উদ্দেশ্যে বলেন পদকে সাংগঠনিক কাজে ব্যবহৃত করতে হবে। নিজেদের পকেট ভারির কাজে নয়। যুবলীগের চেয়ারম্যান আরো বলেন ভবিষ্যতে যুবলীগই বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিবে। তাই সময় এসেছে সমাজের জন্য কাজ করার। সমাজের নিপীড়িত, অবহেলিত প্রতিটি মানুষের পাশে দাড়ানোর নির্দেশ প্রদান করেন ফজলে শামস পরশ। যুবলীগের দুইটি দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন প্রথমত যে কোন মুল্যে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রীর বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র থেকে তাকে রক্ষা করতে হবে এবং জননেত্রীর সকল অর্জনকে ধরে রাখতে হবে। আমি প্রকাশ্য কথা দিচ্ছি আমাদের কাছ থেকে পদ পদবী পাওয়ার জন্য আমাদেরকে কোন আর্থিক  ‍উপঢোকন দিতে হবে না, কোন আর্থিক সহয়তা লাগবে না, সুতরাং আমার প্রত্যাশা আপনারা এই পদ পদবী কোন চাঁদাবাজী টেন্ডারবাজী বা কোন অবৈধ ‍উপর্জনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবেন না ।

প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিল৷ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী এড. মো. শাহজাহান মিয়া এমপি, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আলমগীর, সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ভিপি আবদুল মান্নান, মো. মহিবুর রহমান মুহিব এমপি, এসএম শাহাজাদা এমপি, কাজী কানিজ সুলতানা এমপি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান মোহন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ বদিউল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মো. মাজহারুল ইসলাম, এড.ড. শামীম আল সাইফুল সোহাগ, উপ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক মো. রাশেদুল হাসান সুপ্ত। এ সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক এবং সংগঠনিক সম্পাদক পদসহ অন্যান্য গুরুত্বপুর্ন পদ লাভে একডজন প্রার্থী মাঠে রয়েছে।

নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষনে ব্যানার, ফ্যাস্টুন, বিলবোর্ডে শহরের প্রধান প্রধান সড়কে সমূহ সজ্জিত করা হয়েছে। সড়কের গুরুত্বপুর্ন স্থানে করা হয়েছে একাধিক দৃষ্টি নন্দন তোড়ন। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে কোন ধরনে আইন শৃংখলা বিঘ্ন সৃষ্টি না হয় সে জন্য পুলিশ প্রশাসন ছিল তৎপর।



All Bangla Newspaper
ফেসবুকে আমরা
error: Content is protected !!