রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঘোষণা :

বাউফলে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ঘুষ বাণিজ্যর অভিযোগ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ঘুষ বাণিজ্য ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সকল আবডেট সংবাদ পেতে  এখানে কিল্ক করুন

সম্প্রতি উপজেলার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষকদের কাছ থেকে গ্রেড পরিবর্তনের জন্য ৭০০ টাকা হারে ঘুষ আদায় করেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রিয়াজুল হক। কতিপয় দালাল শিক্ষককের মাধ্যমে ঘুষের টাকা আদায় করেন তিনি।

সকল আবডেট সংবাদ পেতে  এখানে কিল্ক করুন

কিছুদিন যাবত বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের মধ্যে টনক নড়ে।

 

বৃহস্পতিবার পটুয়াখালীর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ঘুষ বাণিজ্য তদন্তের জন্য বাউফলে আসেন।

সকল আবডেট সংবাদ পেতে  এখানে কিল্ক করুন

এসময় সাধারণ শিক্ষকদের স্বাক্ষ্য না দেয়ার জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ ওঠে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক স্মারকে (স্বারক নং০৭.০০.০০০০.১৬১.৩৮.০০১২ (অংশ)-১৮ তারিখ ১৯ জানুয়ারি ২০২১ইং ) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ১৫তম গ্রেড থেকে ১৩তম গ্রেডে উন্নীত করণের নির্দেশ দেয়া হয়। সেই অনুযায়ি বাউফল উপজেলায় ২৩৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২৭৫ জন শিক্ষকের মধ্যে ৫০০ সহকারী শিক্ষককে ১৩তম গ্রেডে উন্নীতকরণের কাজ চলছে।

সকল আবডেট সংবাদ পেতে  এখানে কিল্ক করুন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সহকারী শিক্ষক অভিযোগ করেন, গ্রেড পরিবর্তনের জন্য তাদের কাছ থেকে ৭০০ টাকা করে ঘুষ নেয়া হয়েছে। আগাম টাকা দেয়ার পর উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে ফাইলে স্বাক্ষর করা হয়েছে। পরে হিসাব রক্ষন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তা অনুমোদন করা হয়।

সকল আবডেট সংবাদ পেতে  এখানে কিল্ক করুন

অপর একটি সূত্র জানায়, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ঘুষ বাণিজ্যের আখড়া। ইএফটি, স্লিপ প্রকল্প ও ক্ষুদ্র মেরামতসহ বিভিন্ন প্রকল্প থেকে নির্ধারিত অংকের ঘুষ আদায় করা হয়।

বৃহস্পতিবার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আসার পরই দালাল শ্রেণীর সেই শিক্ষকরা উপজেলা রিসোর্স সেন্টারে পাহাড়া বসান। ভুক্তভোগী শিক্ষকদের আগে ভাগেই ঘুষ বাণিজ্যর স্বাক্ষ্য না দেয়ার জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। তাই কোন শিক্ষকই উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্য দিতে যাননি।

 

এসময় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার পক্ষে ওই দালাল শিক্ষকরা সাফাই স্বাক্ষ্য দেন।ঘুষের তদন্তের বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার রিয়াজুল হক বলেন, ‘আমরা প্রায় ৫শ সহকারী শিক্ষকের গ্রেড পরিবর্তনের জন্য ইএফটি ও সার্ভিস বহি তৈরি করে হিসাব রক্ষন কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছি।

সকল আবডেট সংবাদ পেতে  এখানে কিল্ক করুন

ইতি মধ্যে ৯৫ ভাগ সহকারী শিক্ষকের গ্রেড পরিবর্তন করা হয়েছে। বাকি শিক্ষকদের গ্রেড পরিবর্তনের কাজ চলছে। গ্রেড পরিবর্তনের ফলে ২৪০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত প্রত্যেক শিক্ষকের বেতন বৃদ্ধি পেয়েছে। গত মে মাসের বেতনের সাথে তারা এই বর্ধিত টাকা পেয়েছেন। এই প্রক্রিয়ার জন্য শিক্ষকদের কাছ থেকে কোন টাকা নেয়া হয়নি।’

সকল আবডেট সংবাদ পেতে  এখানে কিল্ক করুন

আরও পরুন :-

বাগেরহাটে আদনানের সন্ধান দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

মু‌জিববর্ষে ঘর ও জ‌মি পা‌চ্ছে আরও ৫৩ হাজার গৃহহীন প‌রিবার

নিখোঁজ আদনানের সন্ধান চাইলেন সংগীত শিল্পী আসিফ

আদনানের সন্ধানে আদালতে লড়তে চান ব্যারিস্টার সুমন

এ প্রসঙ্গে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, এখন আমি একটি মিটিংয়ে আছি, আপনার সঙ্গে পরে কথা বলছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.


All Bangla Newspaper
ফেসবুকে আমরা

Archives

error: Content is protected !!