রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঘোষণা :

ইন্দোনেশিয়ায় করোনা বিপর্যয়, বাড়িঘরে পড়ে আছে মৃতদেহ

বাড়ির ভেতর থেকে মৃতদেহ বের করছেন দমকল বাহিনীর একজন কর্মী। অনেকেই মারা গেছেন অক্সিজেন সংকটের কারণে। মৃত্যুর সময় তাদের পাশে কেউ ছিল না। অনেক ক্ষেত্রে প্রতিবেশীরা উদ্ধার কর্মীদের খবর দিয়েছে আসার জন্য। করোনাভাইরাস সংক্রমণ এবং মৃত্যুতে ইন্দোনেশিয়ার পরিস্থিতি এখন এরকমই দাঁড়িয়েছে। বিবিসির ইন্দোনেশিয়া সার্ভিসের সাংবাদিক ভালদিয়া বারাপুতরি লিখেছেন, এশিয়া মহাদেশের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া হয়ে উঠেছে করোনাভাইরাস সংক্রমণের নতুন আরেকটি হটস্পট।

আরও সংবাদ পরুন ও দেখুন LIVETV

বাউফলে করোনা প্রতিরোধে মাক্স বিতারন করেন পৌর মেয়র জুয়েল

দুমকিতে সিগারেট ধরাতে ম্যাচলাইট না দেয়ায় দোকানীকে মারধর- আহত-২০

সিলেটে বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু,দাফন সম্পন

তৃতীয়বারের মতন আবারও সাংবাদিক নিয়োগ নিচ্ছে KAZITV ।

বরিশালে চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের দাবিতে ইউএনও-ডিসির কাছে অভিযোগ

মাথায় গুলি চালিয়ে পুলিশ কনস্টেবলের ‘আত্মহত্যা’

বরিশালে শ্রমিকদের হাতে পুলিশ সদস্যকে ব্যাপক মারধর!

গত দেড় বছরের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এখন সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি তৈরি করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। দেশটিতে এখনো পর্যন্ত ২৬ লাখ মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। চলতি সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিদিনই ৪০ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন।

দমকল বাহিনীর কর্মী এখন কভিড ফ্রন্টলাইনার

ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় উইরাওয়ান একজন অগ্নিনির্বাপণ কর্মী। কিন্তু আগুন নেভানোর পরিবর্তে তিনি এখন কভিডে আক্রান্ত হয়ে মৃত ব্যক্তিদের মরদেহ উদ্ধারের কাজ করছেন। গত একবছরে তিনি এবং তার আরো সাত সহকর্মী বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার এবং সেগুলো কবর দেওয়ার কাজ করছেন।

মি. উইরাওয়ান বলেন, বেশিরভাগ মানুষ একা একা মারা যাচ্ছেন। এর একটি হতে পারে তারা হয়তো প্রাথমিক চিকিৎসা পাননি, নয়তো হাসপাতাল থেকে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। “প্রায়ই প্রতিবেশীরা আমাদের ফোন করে বলে ‘এই ব্যক্তি সেলফ-আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় তাকে দেখা যায়নি’। তারপর তারা জানতে পারেন সে ব্যক্তি মারা গেছেন। এ ধরণের ঘটনা আমরা প্রতিদিন দেখছি,” বলেন মি. উইরাওয়ান। করোনাভাইরাসের সর্বশেষ ঢেউ আসার আগে তিনি প্রতিদিন দুই-তিনটি মৃতদেহ কবরের দেওয়ার জন্য ফোন পেতেন। কিন্তু এখন তিনি প্রতিদিন ২৪টি মৃতদেহ কবর দেওয়ার জন্য ফোন পাচ্ছেন।

আরও সংবাদ পরুন ও দেখুন LIVETV

বাউফলে করোনা প্রতিরোধে মাক্স বিতারন করেন পৌর মেয়র জুয়েল

দুমকিতে সিগারেট ধরাতে ম্যাচলাইট না দেয়ায় দোকানীকে মারধর- আহত-২০

সিলেটে বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু,দাফন সম্পন

তৃতীয়বারের মতন আবারও সাংবাদিক নিয়োগ নিচ্ছে KAZITV ।

বরিশালে চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের দাবিতে ইউএনও-ডিসির কাছে অভিযোগ

মাথায় গুলি চালিয়ে পুলিশ কনস্টেবলের ‘আত্মহত্যা’

বরিশালে শ্রমিকদের হাতে পুলিশ সদস্যকে ব্যাপক মারধর!

ঈদের ছুটিতে বিধি-নিষেধ উপেক্ষিত

মে মাসের প্রথম দিকে ইন্দোনেশিয়ায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হঠাৎ করেই মারাত্মক আকার ধারণ করে। তখন ঈদের ছুটিতে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ বিধি-নিষেধ উপেক্ষা করে যাতায়াত করেছে। বিদেশ থেকে যারা ইন্দোনেশিয়ায় ঢুকছে তাদের কোয়ারেন্টিন করার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে। ইন্দোনেশিয়াতে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট কখনো বন্ধ করা হয়নি। সম্প্রতি বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রে আটদিন কোয়ারেন্টিন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এটি আগে ছিল ছিল পাঁচদিন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সীমান্ত খোলা রেখে করোনাভাইরাসে সংক্রমণ রোধ করা প্রায় অসম্ভব বিষয়। তবে সরকার বলছে, সীমিত সংখ্যক বিদেশী নাগরিক ইন্দোনেশিয়ায় ঢুকতে পারে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইন্দোনেশিয়ায় এখনো পর্যন্ত ৬৯ হাজার মানুষ মারা গেছে। এর মধ্যে গত সপ্তাহে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার মানুষ মারা গেছে। তবে মৃতের সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে বলে অনেকে মনে করেন।

ইন্দোনেশিয়ার একটি পরিসংখ্যান গ্রুপ ল্যাপোর কভিড-১৯ বলছে, জুন মাস থেকে এখনো পর্যন্ত ৪৫০ জন তাদের বাড়িতে মারা গেছেন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হবার পরে তারা সেলফ-আইসোলেশনে ছিলেন, কারণ হাসপাতালগুলোতে রোগী ভর্তি করানোর জায়গা ছিল না।

আরও সংবাদ পরুন ও দেখুন LIVETV

বাউফলে করোনা প্রতিরোধে মাক্স বিতারন করেন পৌর মেয়র জুয়েল

দুমকিতে সিগারেট ধরাতে ম্যাচলাইট না দেয়ায় দোকানীকে মারধর- আহত-২০

সিলেটে বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু,দাফন সম্পন

তৃতীয়বারের মতন আবারও সাংবাদিক নিয়োগ নিচ্ছে KAZITV ।

বরিশালে চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের দাবিতে ইউএনও-ডিসির কাছে অভিযোগ

মাথায় গুলি চালিয়ে পুলিশ কনস্টেবলের ‘আত্মহত্যা’

বরিশালে শ্রমিকদের হাতে পুলিশ সদস্যকে ব্যাপক মারধর!

অক্সিজেন সংকট

ইন্দোনেশিয়ার ভেতরে করোনাভাইরাস সংক্রমণের মূল কেন্দ্র হচ্ছে সবচেয়ে জনবহুল জাভা দ্বীপ। জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে সেখানকার একটি হাসপাতালে অক্সিজেন সংকটের কারণে ৬৩জন কভিড রোগী মারা গেছেন। এসব মৃত্যুর ঘটনা পুরো দেশকে শোকাহত করেছে। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করছে সংবাদ মাধ্যম মৃত্যুর সংখ্যা বাড়িয়ে বলেছে। তখন থেকে বিভিন্ন হাসপাতালে অক্সিজেন সংকটের কারণে নতুন রোগী ভর্তি করানো বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ইন্দোনেশিয়ার হসপিটাল এসোসিয়েশনের মহাসচিব লিয়া গার্দেনিয়া পারটাকুসুমা বলেন, সাধারণত একটি হাসপাতালে এক সপ্তাহে তিন টন অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। কিন্তু এখন এই পরিমাণ অক্সিজেন এক দিনেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণের পরিস্থিতি এতোটা খারাপ হবে, সেটি সরকার অনুমান করতে পারেনি। সেজন্য অক্সিজেনের সংকট দেখা দিয়েছে।

নিজেদের পরিবারের সদস্য এবং স্বজনদের জন্য অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে অক্সিজেন ট্যাংক এবং হাসপাতালে শয্যার জন্য আকুতি জানাচ্ছে। অক্সিজেন সংকটের কারণে ইন্দোনেশিয়ার অধিকাংশ অক্সিজেন স্টোর বন্ধ হয়ে গেছে। যে কয়েকটি অক্সিজেন স্টোর খোলা রয়েছে, সেখানে মানুষের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। অক্সিজেন সংকটের এই সময়ে অনেকে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। টাকা দিয়েও অক্সিজেন পাচ্ছেন না।

আরও সংবাদ পরুন ও দেখুন LIVETV

বাউফলে করোনা প্রতিরোধে মাক্স বিতারন করেন পৌর মেয়র জুয়েল

দুমকিতে সিগারেট ধরাতে ম্যাচলাইট না দেয়ায় দোকানীকে মারধর- আহত-২০

সিলেটে বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু,দাফন সম্পন

তৃতীয়বারের মতন আবারও সাংবাদিক নিয়োগ নিচ্ছে KAZITV ।

বরিশালে চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের দাবিতে ইউএনও-ডিসির কাছে অভিযোগ

মাথায় গুলি চালিয়ে পুলিশ কনস্টেবলের ‘আত্মহত্যা’

বরিশালে শ্রমিকদের হাতে পুলিশ সদস্যকে ব্যাপক মারধর!

এগিয়ে আসছে সমাজের মানুষ

ইন্দোনেশিয়ার সরকার পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থতার অভিযোগে নানা সমালোচনার মুখে পড়েছে। কিন্তু আক্রান্ত ব্যক্তিদের সহায়তার জন্য সাধারণ মানুষ এগিয়ে আসছে। ২৪ বছর বয়সী এক ডাক্তার ভিডিও কলের মাধ্যমে বিনা খরচে চিকিৎসা সেবা দিতে এগিয়ে এসেছেন। চিকিৎসক রিও পুংকি ইরাওয়ান বুঝতে পেরেছিলেন যে সেলফ-আইসোলেশনে থাকা অনেকেই চিকিৎসা পাচ্ছেন না। সেজন্য তিনে প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা দেওয়া শুরু করেন।

জুলাই মাসের সাত তারিখে এই সেবা চালু করার পর এখনো পর্যন্ত তিনি ৮০০ কল পেয়েছেন বলে জানান সেই চিকিৎসক। জাভার পশ্চিমাঞ্চলের কৃষক ডিজকি হারিয়াদি নিজের জমিতে উৎপাদিত চাল সেলফ-আইসোলেশনে থাকা ব্যক্তিদের জন্য ট্রাকে করে নিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া রোগীদের জন্য অক্সিজেন ট্যাংক জোগাড় করে দেবার কাজও করেন তিনি। “সংক্রমিত হবার ভয়ে অনেকে রোগীদের খোঁজ-খবর নেয় না। আমরা যদি মাস্ক পরি এবং অন্যান্য নিয়ম মেনে চলি তাহলে বিষয়টি নিয়ে ভয়ের কিছু নেই,” বলেন ডিজকি হারিয়াদি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


All Bangla Newspaper
ফেসবুকে আমরা

Archives

error: Content is protected !!