রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঘোষণা :

বর্তমান সময়ে সাংবাদিকতা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পেশার একটি

বাংলাদেশে অর্ধশতাধিক টেলিভিশন চ্যানেল, বিপুলসংখ্যক স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকা এবং অসংখ্য অনলাইন নিউজপোর্টালসহ সংবাদমাধ্যমের ছড়াছড়ি। এ দেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকদের মর্যাদা ও আর্থিক সচ্ছলতার কথা উঠলে এর বিপুল সংখ্যার কথা উল্লেখ করা হয়। সংখ্যা দিয়ে সাংবাদিকতার মান ও সাংবাদিকদের অবস্থা প্রকাশের এ চেষ্টা যে মোটেও সঠিক নয় তা ইউল্যাবের গবেষণা প্রতিবেদন থেকে পরিষ্কার বোঝা যায়। এ গবেষণা প্রতিবেদনে একটি গড়পড়তা সামগ্রিক চিত্র ফুটে উঠেছে। বাস্তব ক্ষেত্রে বাংলাদেশে সাংবাদিকতার আরো অনেক অন্ধকার, করুণ ও দুর্বল দিক রয়েছে।

আরও সংবাদ পরুন ও দেখুন LIVETV

বাউফলে করোনা প্রতিরোধে মাক্স বিতারন করেন পৌর মেয়র জুয়েল

দুমকিতে সিগারেট ধরাতে ম্যাচলাইট না দেয়ায় দোকানীকে মারধর- আহত-২০

সিলেটে বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু,দাফন সম্পন

তৃতীয়বারের মতন আবারও সাংবাদিক নিয়োগ নিচ্ছে KAZITV ।

বরিশালে চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের দাবিতে ইউএনও-ডিসির কাছে অভিযোগ

মাথায় গুলি চালিয়ে পুলিশ কনস্টেবলের ‘আত্মহত্যা’

বরিশালে শ্রমিকদের হাতে পুলিশ সদস্যকে ব্যাপক মারধর!

সাংবাদিকতা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পেশার একটি। হত্যা ও নির্যাতন, মিথ্যা মামলা, হামলা, ভয় দেখানো, লাঠিপেটাসহ নানা ঝুঁকি আছে এই পেশার। কিন্তু ভয়ে গুটিয়ে না থেকে সাংবাদিকরা কাজ করে যাচ্ছে। তথ্য বা সত্য তুলে ধরছে নির্ভয়ে। রাষ্ট্র, সরকার, প্রভাবশালী করপোরেট, হোয়াইট কলার ক্রিমিনাল, লুটেরা, সমাজবিরোধী রাজনীতিক, ব্যবসায়ীদের মুখোশে উন্মোচন করে যাচ্ছে। গণমাধ্যম কর্মীদের ঝুঁকিটা এখানেই। অন্যান্য পেশার মতোই সাংবাদিকতাও একটি পেশা মাত্র। গণমাধ্যম-সাংবাদিক কারও প্রতিপক্ষ নয়।

ডয়েচে ভেলের বাংলা বিভাগের সাংবাদিক হারুন উর রশীদের উপস্থাপনায় এক টকশোতে ময়মনসিংহের একটি স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদক খাইরুল আলম রফিক

তার ওপর নেমে আসা ভয়াবহ নির্যাতনের বর্ণনা দেন। খাইরুল এই বর্ণনা দিতে গিয়ে আত্মসংবরণ করতে পারেননি। টকশোর মধ্যে চিৎকার করে কান্নায় ভেঙে পড়েন। চারজন বেঁধে নির্যাতন চালায় তার ওপর। উলঙ্গ করে গোপনাঙ্গে কিভাবে বিদ্যুতের শক দেয়া হয়, তার বর্ণনা দেন। অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে তিনি তাদের কাছে প্রাণ ভিক্ষা চেয়েছেন। তার উচ্চ চিৎকারের রেশ সরকারি অফিসের চারদেয়াল ভেদ করে বাইরেও চলে যায়। ডিবি কার্যালয়ের বাইরে উপস্থিত তার স্ত্রী ডিবি কর্মকর্তাদের পায়ে পড়ে তাদের কাছে স্বামীর প্রাণ ভিক্ষা চান। তিনি তাদের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন, তার স্বামীকে নিয়ে ময়মনসিংহ ছেড়ে যাবেন; আর কোনো দিন ফিরবেন না। তাতেও কোনো কাজ হয়নি।

খাইরুলকে কয়েক রাত খাবার দেয়া হয়নি। পানি চাইলে পানি দেয়া হয়নি। নির্যাতনের মধ্যে নৌকায় করে অন্য জায়গায় নেয়া হচ্ছিল। তিনি নদীর পানি পান করতে চেয়েছিলেন। তাও তাকে পান করতে দেয়া হয়নি। টকশো চলার সময় তার উচ্চস্বরে করুণ কান্না পরিবেশ ভারী করে তোলে। সাংবাদিক হারুনসহ টকশোতে অংশগ্রহণকারী অতিথিদের চোখ ছলছল করছিল।

আরও সংবাদ পরুন ও দেখুন LIVETV

বাউফলে করোনা প্রতিরোধে মাক্স বিতারন করেন পৌর মেয়র জুয়েল

দুমকিতে সিগারেট ধরাতে ম্যাচলাইট না দেয়ায় দোকানীকে মারধর- আহত-২০

সিলেটে বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু,দাফন সম্পন

তৃতীয়বারের মতন আবারও সাংবাদিক নিয়োগ নিচ্ছে KAZITV ।

বরিশালে চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের দাবিতে ইউএনও-ডিসির কাছে অভিযোগ

মাথায় গুলি চালিয়ে পুলিশ কনস্টেবলের ‘আত্মহত্যা’

বরিশালে শ্রমিকদের হাতে পুলিশ সদস্যকে ব্যাপক মারধর!

একজন গুরুত্বপূর্ণ মানুষের হত্যার পর মোস্তফার আহাজারি জাতির কানে পৌঁছেছে। সামরিক বাহিনীর এক অবসরপ্রাপ্ত মেজরের বলিদানে তার আর্তনাদ জাতির সামনে প্রকাশ পেতে পেরেছে। তার ওপর যখন প্রদীপ অন্যায়ভাবে নির্যাতন চালাচ্ছিলেন, তখন তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পর্যন্ত গিয়েছিলেন বলে দাবি করছেন। তার পরও প্রদীপের হাত থেকে রেহাই পাননি।

সাংবাদিকরা যখন এভাবে অসহায় হয়ে যান তখন সহযোগী সাংবাদিকদের দায়িত্ব কী? ঠিক উপরের দু’টি সাংবাদিক নির্যাতনের কথাই আমরা ধরি।

বাংলাদেশে, সাধারণ মানুষ থেকে মহাপরাক্রমশালীদের বড় একটা অংশ সাংবাদিকতাকে ‘সাংঘাতিক’-‘অপ্রয়োজনীয়’ এবং বিপজ্জনক বিবেচনা করে। অনেকেই উপহাস করেন–অযাচিত জ্ঞান দেন। পারলে কীভাবে রিপোর্ট লেখা বা টিভিতে দেখানো উচিত সেটাও বলে দেন। চেপে ধরলে রসিকতা বলে উড়িয়ে দেন। কিন্তু তাদের জ্ঞানদান স্রেফ রসিকতা নয়। তাদের অভিযোগ-অনুযোগের সব দাবি যে মিথ্যা তা হয়তো নয়।
মজাটা হচ্ছে, সকলেই তথ্য চায়, কিন্তু নিজের মতো করে। এর ব্যত্যয় হলেই, গণমাধ্যম কর্মী ‘সাংঘাতিক’। তথ্য পক্ষে থাকলে ভালো, বিপক্ষে গেলে সাংবাদিক খারাপ, এই হচ্ছে জাতীয় মানসিকতা। অথচ কেউ বোঝে না, গণমাধ্যম আর সাংবাদিকের স্বাধীনতা এক নয়। বাংলাদেশের গণমাধ্যম, প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজের স্বাধীনতা চায়। অবাধ ও মুক্ত হতে চায়। কিন্তু সাংবাদিকের (কর্মীর) স্বাধীনতার বিষয়ে চুপ। নিজে শক্তিশালী হতে চায় কিন্তু তার কর্মীকে করতে চায় না।
রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে ভূমিকা রাখতে চায় কিন্তু সাংবাদিকদের অংশীদার করতে চায় না।এই সংকটই কাজের পরিবেশকে হুমকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে।

আরও সংবাদ পরুন ও দেখুন LIVETV

বাউফলে করোনা প্রতিরোধে মাক্স বিতারন করেন পৌর মেয়র জুয়েল

দুমকিতে সিগারেট ধরাতে ম্যাচলাইট না দেয়ায় দোকানীকে মারধর- আহত-২০

সিলেটে বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু,দাফন সম্পন

তৃতীয়বারের মতন আবারও সাংবাদিক নিয়োগ নিচ্ছে KAZITV ।

বরিশালে চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের দাবিতে ইউএনও-ডিসির কাছে অভিযোগ

মাথায় গুলি চালিয়ে পুলিশ কনস্টেবলের ‘আত্মহত্যা’

বরিশালে শ্রমিকদের হাতে পুলিশ সদস্যকে ব্যাপক মারধর!

সাংবাদিকের স্বাধীনতা হচ্ছে, ভয়মুক্ত কাজের পরিবেশ, আক্রমণ থেকে সুরক্ষা, সত্য তুলে ধরা এবং মাস শেষে বেতনের নিশ্চয়তার মতো জরুরি অনেক বিষয়।
এ তথ্য সবার জানা ভালো যে সাংবাদিকতা কোনও স্বাধীন পেশা নয় (নাগরিক সাংবাদিকতা বাদে)। অনেকে সাংবাদিকদের মহাক্ষমতাধর মনে করেন। বাস্তবে কোনও ক্ষমতা নেই। কোন খবর ছাপা, কোন পাতায় ছাপা হবে না হবে না–এটা প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা বা নীতির বিষয়, সাংবাদিকের নয়।
এক্ষেত্রে পুলিশ, রাজনীতিবিদ, ছাত্রসংগঠন, মাস্তান সবাই এগিয়ে। সাংবাদিক হত্যা বা পেটানোয় কারো বিচার হয়েছে– মনে করতে পারি না। বরং গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের কলম নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সময়ে আইন হয়েছে, হচ্ছে।
রাষ্ট্র একদিকে জনগণের তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করছে আইনিভাবে। অন্যদিকে নানা ধরনের প্রতিবদ্ধকতাও তৈরি হচ্ছে। যদিও ফেসবুক বা অন্যান্য বিকল্প গণমাধ্যমের কারণে তথ্য আটকে রাখা কঠিন। কিন্তু জনগণ বিশ্বাস করে, সাংবাদিকরা অনেক তথ্য গোপন করে।
দেশে কয়েক হাজার সংবাদ মাধ্যমের মধ্যে টেলিভিশন, জাতীয় পত্রিকা, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক ও অনলাইন পোর্টালসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম রয়েছে, সেখানে লক্ষাধিক সংবাদ কর্মী এবং স্টাফ কাজ করছেন। আইনজীবী, পুলিশ, সাংবাদিক ও জনপ্রতিনিধিসহ সকল পেশায় কিছু বেঈমান ও দুষ্টু প্রকৃতির লোক আছে, তারা মানুষের সাথে প্রতারণা করার কারণে প্রকৃত ভালো মানুষের বদনাম হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই প্রকৃতির কিছু অপরাধীকে আটক করলেও তারা আইনের ফাঁক দিয়ে বেঁচে যাচ্ছে।
সাংবাদিকের ঝুঁকি অফিস-রাস্তা উভয় ক্ষেত্রেই। সে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তথ্য বা ছবি সংগ্রহ করে, জনগণের পাশে থাকে। কিন্তু বিপদে কেউ তার পাশে থাকে না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাংবাদিককে প্রতিষ্ঠান-মালিক-সম্পাদকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় মাথায় রাখতে হয়।
এরপরও চাকরির নিশ্চয়তা নেই, ঝুঁকি ভাতা নেই, পেনশন নেই, প্রভিডেন্ট ফান্ড নেই, শুক্র-শনি, ৯ট-৫টা নেই। এমনকি মাস শেষে বেতনের নিশ্চয়তা নেই। সব মিলিয়ে সাংবাদিকতা প্রায় ‘দুঃসহ’ একটি পেশায় পরিণত হয়েছে।
এত প্রতিকূলতার মধ্যে কাজ করে মেলে না ন্যূনতম বাহবা বা প্রশংসা। এর বদলে মেলে চাপাতি আর লাঠির বাড়ি। হাসপাতালে শুয়ে ব্যথায় কাতরায় সাংবাদিক। গায়ে হাওয়া লাগিয়ে বীরদর্পে ঘুরে বেড়ায় সন্ত্রাসী। কিন্তু যেখানে সাংবাদিকতা করাই কঠিন সেখানে বিশৃঙ্খলা হতে বাধ্য। এবং তাই ঘটছে। এজন্য বিদ্যমান রাজনৈতিক বাস্তবতার পাশাপাশি সাংবাদিকদের দায়ও কম নয়।
বহু ধারা-উপধারা, মতাদর্শ, দল-উপদলে বিভক্ত সাংবাদিক সমাজ। একই মতাদর্শের মধ্যেও ভয়ানক কোন্দল, কাদা ছোড়াছুড়ি বিদ্যমান। দেশে সাংবাদিকদের এত সংগঠন। কিন্তু সরকার-প্রশাসন, রাজনীতিবিদদের ওপর প্রভূত চাপ প্রয়োগের মতো সংগঠন নেই। নেই তেমন ক্যারিশমেটিক নেতৃত্বও। ফলে পরিস্থিতি বদলায় না। ‘মুক্ত সাংবাদিকতা ভালো বা খারাপ দুই-ই হতে পারে। কিন্তু স্বাধীনতা ছাড়া সাংবাদিকতা শুধু খারাপই হতে পারে’– এই ধারণা একজন আমেরিকান সাংবাদিকের।

আরও সংবাদ পরুন ও দেখুন LIVETV

বাউফলে করোনা প্রতিরোধে মাক্স বিতারন করেন পৌর মেয়র জুয়েল

দুমকিতে সিগারেট ধরাতে ম্যাচলাইট না দেয়ায় দোকানীকে মারধর- আহত-২০

সিলেটে বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু,দাফন সম্পন

তৃতীয়বারের মতন আবারও সাংবাদিক নিয়োগ নিচ্ছে KAZITV ।

বরিশালে চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের দাবিতে ইউএনও-ডিসির কাছে অভিযোগ

মাথায় গুলি চালিয়ে পুলিশ কনস্টেবলের ‘আত্মহত্যা’

বরিশালে শ্রমিকদের হাতে পুলিশ সদস্যকে ব্যাপক মারধর!

বাংলাদেশের সাংবাদিকতাও যে ক্রমাগত খারাপের দিকে যাচ্ছে, তা বুঝতে পণ্ডিত হওয়া লাগে না। নানামুখী চাপ, সেলফ সেন্সরশিপ, সংবাদ কর্মীদের দলীয় আনুগত্যসহ আরও অনেক কারণেই গণমাধ্যম বিশ্বাস হারাচ্ছে। সাংবাদিকরা আক্রান্ত হওয়ার পর বিচারের দাবিতে ইউনিয়ন নেতারা বিৃবতি দেন। মানববন্ধনের মতো কিছু কর্মসূচি থেকে সংগঠনগুলো কঠোর আন্দোলনের হুমকি দিয়ে থাকে। কিন্তু অপরাধীদের বিচারের কাঠগড়ায় নিয়ে যেতে লেগে থাকে না।
তাই, সরকার প্রশাসন তেমন চাপও বোধ করে না। সাগর-রুনি ঘরের মধ্যে খুন হয়ে যায়, কঠোর হতে পারলাম না। কত কত বন্ধু, সহকর্মী মার খেলো, আহত হলো, কঠোর হতে পারলাম না। বহুভাগে বিভক্ত হয়ে গেলাম কঠোর হতে পারলাম না। নৈতিকতা বন্ধক রাখতে রাখতে, দালালি করতে করতে অধঃপতনের শেষ ধাপে নেমে গেলাম… আর কবে কঠোর হবে সাংবাদিক সমাজ সেটা কেউ জানে না।
সাংবাদিকরা যখন বিভক্ত এবং বাড়ি-গাড়ি, সরকারি খরচে বিদেশ ভ্রমণ, তদবির বা অন্য সুবিধা নিতে থাকে, তখন তার বা তাদের পক্ষে সঠিক অবস্থান নেওয়া কঠিন। সাংবাদিকদের বিভক্তি, দলবাজি, সুবিধাবাদিতার সুযোগ নিচ্ছে সবাই। ফলে আঘাতপ্রাপ্ত হলেও, সাংবাদিকদের সুরক্ষায় কেউ এগিয়ে আসে না। অথচ সাংবাদিকতা হচ্ছে সেই শক্তি, যা প্রগতিশীল সামাজিক পরিবর্তন ও কার্যকর গণতন্ত্র বজায় রাখতে কাজ করে। ঝুঁকিপূর্ণ জেনেই সাংবাদিকরা এ পেশায় আসে এবং কাজ করে। ঝুঁকি হচ্ছে এই পেশার সৌন্দর্য।
সমস্যা হচ্ছে, পেশা হিসেবে সাংবাদিকতা বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠীর কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। সেটা পুনরুদ্ধার করাই আপাত জরুরি। পাশাপাশি, লেজুড়বৃত্তি ছেড়ে সবাই একতাবদ্ধ হলে, একটি দলনিরপেক্ষ প্ল্যাটফর্ম বা ইউনিয়ন দাঁড় করানো গেলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। তখন সাংবাদিকদের গায়ে হাত তোলার আগে দ্বিতীয়বার ভাববে সবাই। বন্ধ হবে হুটহাট ছাঁটাই। বেতন দিতে বাধ্য থাকবে মালিক সম্পাদক।
সাংবাদিক জনপ্রিয় হওয়ার জন্য সাংবাদিকতায় আসে না। সাংবাদিকদের দায়িত্ব হচ্ছে, সত্য খুঁজে বের করা, জবাব না পাওয়া পর্যন্ত নেতাদের ওপর অব্যাহত চাপ ধরে রাখা’– যত বিচ্যুতিই থাকুক না কেন, সাংবাদিকতা মহান পেশা এবং মহানই থাকবে। অতএব, আসুন সাংবাদিক ভাই-বোন-বন্ধুরা, চুপ না থেকে কথা বলি। একতাবদ্ধ হই। বলতেই থাকি পেশার মান সমুন্নত রাখতে এবং ওরা যতক্ষণ না থামে।

আরও সংবাদ পরুন ও দেখুন LIVETV

বাউফলে করোনা প্রতিরোধে মাক্স বিতারন করেন পৌর মেয়র জুয়েল

দুমকিতে সিগারেট ধরাতে ম্যাচলাইট না দেয়ায় দোকানীকে মারধর- আহত-২০

সিলেটে বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু,দাফন সম্পন

তৃতীয়বারের মতন আবারও সাংবাদিক নিয়োগ নিচ্ছে KAZITV ।

বরিশালে চেয়ারম্যানকে বরখাস্তের দাবিতে ইউএনও-ডিসির কাছে অভিযোগ

মাথায় গুলি চালিয়ে পুলিশ কনস্টেবলের ‘আত্মহত্যা’

বরিশালে শ্রমিকদের হাতে পুলিশ সদস্যকে ব্যাপক মারধর!

লেখক::- সাংবাদিক, কলামিস্ট,কাজী মামুন। যুগ্মসাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র সম্পাদক পরিষদ (বনেক) কেন্দ্রীয় কমিটি ঢাকা ।জেলা প্রতিনিধি দৈনিক নবচেতনা। 


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


All Bangla Newspaper
ফেসবুকে আমরা

Archives

error: Content is protected !!