বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঘোষণা :

বগুড়ায় ব্যবসায়ী অপহরণ, কাঁশবনে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক::- নিখোঁজের ২৩ দিন পর পান বগুড়ার শিবগঞ্জের ব্যবসায়ী মোফাজ্জল হোসেনের (৪৮) গলিত লাশ ঢাকার আশুলিয়ার কাঁশবন থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। গত ১৯ আগস্ট পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে তাকে অপহরণ করে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।

পুলিশ, নিহতের স্ত্রী সূত্র জানায়,  মোফাজ্জল হোসেন শিবগঞ্জ উপজেলার পারলক্ষীপুর চাঁনপাড়া গ্রামের আমির উদ্দিনের ছেলে। বিভিন্ন জেলা থেকে পান কিনে তিনি স্থানীয় হাট-বাজারে বিক্রি করতেন। পান কেনার কথা বলে মোফাজ্জল গত ১৯ আগস্ট সকাল ৮টার দিকে বাড়ি থেকে বের হন। রাত ৯টার দিকে ফোন করলে পাওনা টাকা আদায়ে মোকামতলায় আছেন বলে জানান। এরপর থেকে মোফাজ্জল হোসেনের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান মেলেনি।

এ বিষয়ে ২৩ আগস্ট শিবগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। মোফাজ্জল একই গ্রামের রুবেলের সঙ্গে বেশি সময় কাটাতেন। মোফাজ্জলের সন্ধানে রুবেলের বাড়িতে গিয়ে তাকে না পাওয়ায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়। গ্রামের লোকজন গত ৯ সেপ্টেম্বর লালমনিরহাট থেকে রুবেলকে ধরে নিয়ে আসেন। তাকে পুলিশে দেওয়া হলে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি মোফাজ্জলকে হত্যার কথা স্বীকার করেন।

রুবেল পুলিশকে জানান,পাওনা তিন লাখ টাকা দেওয়ার নামে তারা মোফাজ্জলকে ডেকে নেন। মোকামতলা থেকে মোফাজ্জলকে অপহরণ করেন। এরপর মাইক্রোবাসযোগে তাকে ঢাকার আশুলিয়ায় নিয়ে যান। সেখানে মরাগাঙ নামে কাঁশবনে গলায় ছুরিকাঘাত ও মাথায় আঘাতে মোফাজ্জলকে হত্যা করা হয়।

এরপর সেখানে লাশ ফেলে তিনজন পালিয়ে আসেন। তার তথ্যানুসারে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ শুক্রবার ঢাকার আশুলিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় কাঁশবন থেকে মোফাজ্জল হোসেনের গলিত লাশ উদ্ধার করে।

শিবগঞ্জ থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, রুবেলের দেওয়া তথ্য অনুসারে হত্যা ও লাশ গুমে জড়িত থাকায় তার শ্বশুর আবদুস সামাদ এবং চাচাতো ভাই মিলনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে নিহতের স্ত্রী রাশেদা বেগম শনিবার সকালে শিবগঞ্জ থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে অপহরণ, হত্যা ও লাশগুমের অভিযোগ মামলা করেছেন। বিকালে তিনজনকে আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণের আবেদন করা হয়েছে। স্বীকারোক্তি না দিলে তাদের রিমান্ডে নেওয়া হবে।



All Bangla Newspaper
ফেসবুকে আমরা

error: Content is protected !!