মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১২:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পটুয়াখালীতে প্রগতি লেখক সংঘের কবি আড্ডা অনুষ্ঠিত গলাচিপায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আহসানুল হক তুহিন পুনরায় নির্বাচিত খালেদা জিয়াকে স্লো পয়জনিং বিএনপির লোকেরাই করতে পারে : কাদের নৌকার বিপক্ষে একটা ভোট গেলে লাশ পড়বে ৫টা, ছাত্রলীগ নেতার হুমকি জয়পুরহাট-সহ উত্তরের জেলা গুলোতে জেঁকে বসেছে শীত ও ঘন কুয়াশা! নওগাঁয় ভোটের মাঠে চেয়ারম্যান পদে পঞ্চমুখী লড়াই  ডিমলা উপজেলার কৃষকরা ভুট্টা চাষে আগ্রহী  গলাচিপা পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর সমর্থনে কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক লীগের জনসংযোগ।  লক্ষ্মীপুরে বাবা চেয়ারম্যান, চার ভাইবোন হতে চান মেম্বার ‘মু‌জিব কোট খুইল্লা ও‌সিরে গুতাই‌ছি’
ঘোষণা :

দক্ষিণাঞ্চলের সিংহাম ভাগিনার ট্রেন্টর মামা

মল্লিক মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ,মির্জাগঞ্জ,পটুয়াখালী ।। – মামা-ভাগিনা যেখানে বিপদ নাই সেখানে” বাক্যটি আবহমানকাল থেকে প্রবাদার্থে ব্যাবহার্য হলেও বাস্তবতার নিরিখে এ মধুময় পরম আত্নার সম্পর্কটি কতোটা নিবিড় অজ্ঞাতবশতঃ অস্বীকৃতিরো জো নেই।আবার সম্পদ-সম্পত্তির মোহ এবং জাগতিক তুচ্ছ- স্বার্থের বৃত্তান্তে কদাচিৎ অভিশপ্ততায় প্রদর্শিত হয় হংস মামায়,কদার্য মামায় যা বরাবরই খলচরিত্রে অভিষিক্ত হয়ে উপনীত হয়েছে ইতিহাসের পাতায়। আবার একটা পর্বতের মতো দৃঢ় আস্থাভাজক,সমূদ্রের সীমাহীন জলধারনের মতো সীমাহীন স্নেহে বুকে আগলেধারণ, ঝর্ণার পানির মতো স্বচ্ছ-নিষ্কলূষ,নিঃস্বার্থ,বিশ্বস্ত ভালোবাসায় লালন,পোষণ,তোরণ, বরণ সমৃদ্ধকরনে যার একনিষ্ঠ অবদান দৃষ্টান্ত হয় এমন একজন মামার বিশেষণ বিশ্লেষণ না করলে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের জন মানুষের মুখে মুখে চাউর হওয়া সম্পর্কের শ্রদ্ধা জ্ঞাতার্থে কার্পণ্য করা হবে।

মির্জাগঞ্জের জননন্দিত তরুণ তারকা, কিং খান হিসেবে সুপরিচিত,লোকারণ্যে গর্জিত সিংহাম,দল -মত জাতি,ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে গণমানুষের তূমুল ভালোলাগা,ভালোবাসা এবং আস্থার অভিভাবক,ইয়ং জেনারেশনের “যুবা আইডল” খ্যাত বারবার নির্বাচিত উপেজেলা চেয়ারম্যান খান মোঃ আবুবকর সিদ্দিকীর মামা মোঃআনোয়ার হোসেন খানই সেই মামা প্রকারন্তে তার উপরই কেবল মাত্র বর্তানো সম্ভব সকল বিশেষ্যের বিশেষণ যিনি কিনা কয়েকযুগ ধরে পরিবারের সন্মান সম্ভ্রম,প্রতিপত্তি ,ঐতিহ্যের ধারা রক্ষা ও সমৃদ্ধির দায়িত্বে দ্ব্যার্থহীনভাবে নিজেকে বুড়িয়ে ফেলে ক্ষান্ত হোননি বরং গোটা উপজেলার আপামর জনসাধারনের সাইলেন্ট সার্ভার হিসেবে নিজের পুরো জিবনকে উৎসর্গিত করেছেন।

খান সাহেবের সুবিদখালীর এমন একটি পরিবারে জন্ম যে পরিবার মির্জাগঞ্জ উৎপত্তি প্রাক্কাল থেকে আজোবধি উপজেলার প্রতিটি জনপদে, প্রতিটি পরতে পরতে জন-মানবের প্রাচীরে তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে অভূতপূর্ব শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং ভালোবাসার লীলাচারণ।

যদি বলা হয়,মোঃআনোয়ার হোসেন খান ইতোপূর্বে ৪ নং দেউলি সুবিদখালী সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কিংবা উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে কয়েকবার নির্বাচিত হয়েছেন; বিষয়টি অত্যুক্তি এবং জটলা মনে হলেও গণিতের সমাধান দুইয়ে দুইয়ে চার,যা সর্বজনশ্রুত ও পূর্বজ্ঞাত।

সত্যিকারার্থে ইউনিয়ন থেকে উপজেলায় কোনো নির্বাচনে পূর্বে প্রত্যাক্ষভাবে স্ব-শরীরে অংশগ্রহন না করেও খান পরিবারের সদস্যদের উক্ত পদ সমূহে উপনীত করার লক্ষ্যে যিনি ছিলেন সর্বদা অপরাজেয়,তার বিচক্ষণতা ছিলো প্রখর,মেধা-দক্ষতায় প্রগাঢ়,বিজয়ের সূধাপানে সর্বসময় যিনি থাকেন পিপাসু,মানব হৃদয় হরনের যিনি জানেন অদ্ভূত মন্ত্র,প্রতিটা মানুষকে ভালোবাসার মাঁয়াজালে ফেলতে তার সৎ, শান্ত,স্থির,মার্জিত,কোমল চরিত্রটাই যথেষ্ট।
ইংরেজিতে একটি কথা আছে;”The speed of blood is more dynamic than the speed of sea. The speed of the sea is submerged in the water but the speed of the blood repeatedly makes real people on the earth. -“রক্তের গতি সমুদ্র ধারার চেয়ে বেশি গতিশীল।সমুদ্রের গতি জলে নিমজ্জিত কিন্তু রক্তের গতি বারবার পৃথিবীতে প্রকৃত মানুষ করে তোলে”।
খানদের রক্তপ্রবাহের গতিশীলতা মির্জগঞ্জের বুকে সম্ভাবনার ক্ষেত্র তৈরি করে যাবে ধারাবাহিকভাবে।

মরহুম এনায়েত হোসেন খান (অন্নাত খা) দেউলি-সুবিদখালী ইউনিয়ন প্রেসিডেন্ট ছিলেন।তার সহোদর মরহুম জিন্নাত আলী খান (জেন্নাত খা) একই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন।এনায়েত হোসেন খানের পূত্র মরহুম কাদের খান চেয়ারম্যান ছিলেন।মরহুম কাদের খানের পূত্র মোঃদেলোয়ার হোসেন খানও চেয়ারম্যান ছিলেন।মরহুম এনায়েত হোসেন খানের আরেক পূত্র মরহুম হাশেম খান যার পূত্র খান মোঃআবুবকর সিদ্দিকী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান।অন্যদিকে জিন্নাত আলী খানের পূত্র মোঃআনোয়ার হোসেন খান।
আনোয়ার হোসেন খান এবং খান মোঃআবু বকর সিদ্দিকী সম্পর্কে চাচা ভাতিজা হলেও আনোয়ার হোসেন খানের ভগ্নি বেগম রোকেয়া যার নামে সুবিদখালী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় নামকরন করা হয়,যিনি খান মোঃ আবুবকর সিদ্দিকীর মাতা।
সুতারাং এই সেই মামা ভাগিনা,যেখানে কোনো বিপদ থাকেনা থাকে শুধু চিরন্তন অটূট একটা রক্তীয় বন্ধন, থাকে জনসাধারনের অবিচল কেন্দ্রীয় আস্থা।
প্রকারান্তে আনোয়ার খানের জীবনাদ্দশায় পরিবারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বলকরনে অনবধি চেষ্টার ধারা যেমন অব্যাহত তেমনি প্রত্যেকটি নির্বাচনে পরিবারের সদস্যদের বিজয়ীবেশে আনায়নের জন্য ছিলেন অতন্ত্র প্রহরীর মতো সর্বদা প্রস্তত।
খান মোঃআবু বকর সিদ্দিকী বর্তমানে মির্জাগঞ্জের অভিভাবক।মামার প্রতি -তার হৃদয়স্পর্শি প্রতিদানিক চেষ্টা ছিলো হয়তো বহুদিন থেকে।অবশেষে সফল হলেন।নবেম্বর তথা এ মাসের ২৮ তারিখে তৃতীয় দফা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামিলীগ সমর্থিত নৌকার কান্ডারী হয়েছেন আনোয়ার হোসেন খান।

একখন্ড জমি,রড,ইট পাথর-সিমেন্টের কনক্রীট,মালিকের ঘামে ঝড়া কিছু টাকা,ত্যাগ তিতিক্ষায় বিসর্জিত বহু নির্ঘুম রাতে গড়ে ওঠা একটা দ্বিতল কিংবা বহুতল ভবন।যে মালিকের কষ্টে গড়া আকাশচুম্বী ভবনটি সে মালিক আজ ভবনের কোনো এক কামড়ায়।সেটা হতে পারে এসি প্রকোষ্ঠ কিংবা বিদ্যুত বিহীন।

সমগ্র উপজেলায় যে মানুষটি শুধু নেপথ্যের নায়কের মহিমায় ভাস্বর রয়ে গেলেন। আজ না হয় উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মাত্র ১ টি ইউনিয়নের জনসাধারনের কাছে হস্তপ্রসারিত করলেন সীমিত কিছু পাওয়ার জন্য।জনসাধারন এতোটুকু প্রতিদান দিবেন কি এই পৌঢ় মানুষটাকে, না ফিরিয়ে দিবেন?

[This article is written from my own mind. No one has persuaded me to write or bribe me. I have only presented a realistic picture knowingly from the people of the area.At present I do not have a good relationship with any of the Khan family.Nobody knows me.
I had a very good friendship with Khan Abu Bakar Siddiqui in my student life even though he was only a little 2 years older than me. And that was many years ago.]



All Bangla Newspaper
ফেসবুকে আমরা
error: Content is protected !!