শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২২, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঘোষণা :

বরগুনায় শিক্ষককে ভয়ভীত দেখিয়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠন, ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ।

স্টাফ রিপোর্টার ::-  বরগুনা আমতলী উপজেলার গাজীপুর বন্দর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি গঠনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অত্র বিদ্যাপিঠের শিক্ষার্থীর অবিভাবক সুত্রে জানা যায় এডহক কমিটির সভাপতি ও কিমিটি নিয়ন্ত্রন করা পর্যবেক্ষক গোপন যোগসাজগে নিয়মিত কমিটি গঠনের সব কার্যক্রম চালিয়েছেন,যা সম্পূর্নবিধি বর্হিভুত, অভিবাবক মহল কিংবা বিদ্যালয়ের কোন ছাত্র/ছাত্রী এমন কি এলাকার কোন গন্যমান্য ব্যক্তি এই কমিটির কার্যক্রম সম্পর্কে অভিহিত নন বলে জানা যায় ।

গোপন কমিটির বিরুদ্ধে অত্র বিদ্যালয়ের ছাত্র / ছাত্রীর অভিবাবক গনের পক্ষে গত ১৬ই নভেম্বর ২০২১ ইং বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমকি শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান বরাবর ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমতলী,বরগুনা বরাবর ৭ই নভেম্বর ২০২১ ইং জেলা প্রশাসক বরগুনা বরাবর ৩০শে নভেম্বর লিখিত অভিযোগ করেন। সার্বিক বিষয়ে অভিযোগ কারীদের চেয়ারম্যান মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড বরিশাল  প্রফেসর মোহাম্মাদ ইউনুস জানান উক্ত গোপন কমিটির বিরুদ্ধে তদন্ত করার জন্য সোনালী ব্যাংক,বরিশাল কর্পোরেট শাখায় চার হাজার (৪,০০০) টাকা জমা দিলে তারা উক্ত বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবেন । এরই ধারাবাহিকতায় অভিযোগ কারী গত ১৭ই নভেম্বও ২০২১ইং তারিখ জমা করেন যার জমা রসিদ নং ৪৬৫৫ । এত শত ধরখাস্ত জমা দেয়ার পরও শংশিষ্ট কর্মকতারা কোন প্রকার তদন্ত ছারাই অভিযুক্ত গোপন কমিটিকে অনুমদোন দেন । এ বিষয়ে অভিযোগ কারী মো: নেয়ামত উল্লাহ মৃধা প্রতিবেদককে বলেন আমি সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে উক্ত গোপন কমিটির বিরুদ্ধে একাধিক ধরখাস্ত জমা দেই তাতে কোন প্রকার ফলাফল মেলেনি,অতপর বরিশাল শিক্ষার্বোড থেকে আমাকে নানান প্রকার কথা বলে কাল ক্ষেপণ করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বির্তকিত গোপন কমিটিকে অনুমোদন দেন । উক্ত বিষয়ে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রতিবেদককে জানান, পরিক্ষা ও নানান প্রকার ব্যাস্ততা থাকার কারণে বিষয়টি দেখতে সময় হচ্ছে তবে অভিযোগ পেয়েছি ,তিনি আরও বলেন যে নিয়মিত কমিটি গঠনের জন্য ‍উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে আমরা অবগত করে ছিলাম তখন তিনি আমাদের একজন পর্যবেক্ষক দিয়েছিলেন যাহার মাধ্যমেই নিয়মিত কমিটি গঠন করা হয়েছে কোন প্রকার অনিয়ম হলে তা পর্যবেক্ষকের উপর বর্তায় । যেহেতু অভিযোগ ‍উঠেছে আমরা এ বিষয়ে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্য উক্ত বিষয়ে অত্র বিদ্যালয়ের নিয়মিত কমিটির সভাপতিকে চিঠি দিব এবং সম্পূর্ণ বিষয়টি দেখবো তবে পরিক্ষাসহ সরকারী নানান কাজের জন্য ‍উক্ত কাজে কিছুটা সময় হচ্ছে বলে তিনি জানান  ।

গোপন কমিটির অনুমোদনের বিষয়ে অত্র বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও এডহক কমিটির সভাপতি মো: খালেক বলেন, আমি শারীরিক ভাবে অসুস্থ্য এবং আমার বাড়ি বিদ্যালয়ের থেকে দুরে থাকায় স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের নানান প্রকার ভয় ও হুমকির কারণে আমি ‍উক্ত কমিটির অনুমদনে শাক্ষর করেছি , তবে বর্তমান নিয়মিত কমিটি কাগজে কলমে নিয়েম মেনে হয়েছে কিন্তু বাস্তবের সাথে কোন মিল নেই মানা হয়নি কোন প্রকার নিয়মের দেয়া হয়নি কোন প্রকার সার্কুলার ও নোটিশ যা অবৈধ ও টাকার জোড়েই করা হয়েছে বলে তিনি জানান ।

অভিযুক্ত নতুন কমিটির সভাপতি আঃ রব মিয়া জানান, কমিটি গঠনে কোন প্রকার অনিয়ম করা হয়নি তবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কেন  এরকম কথা বলেছেন তা  আমার জানা নেই।

উক্ত গোপন কমিটির বরিুদ্ধে অত্র বিদ্যালয়ের ছাত্র / ছাত্রীর অভিবাবকগন জানান, বর্তমান নিয়মিত কমিটির সদস্যরা সকলে মোটা অংকের বিনিময়ে অসাধু উপায়ে কমিটি গঠন করেছেন ,আর এ কমিটির দ্বারা অত্র বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুদের লেখাপড়ায় বিগ্ন ঘটবে শুরুহবে অবৈধ বান্যিজর যা অত্র বিদ্যাপিঠের জন্য হুমকি সুরপ। অতি দ্রুত এ কমিটি প্রত্যাহার করে নতুন কমিটি গঠনে শংশিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান সকল অভিবাবকগন। যার ফলে স্কুলের পড়ালেখা ব্যহত হচ্ছে, শিক্ষার পরিবেশ দিন দিন নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্কুলের অভিভাবকরা। স্কুলের পড়ালেখার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখাসহ অনিয়মের প্রতিকার চেয়ে তারা শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।



All Bangla Newspaper
ফেসবুকে আমরা
error: Content is protected !!